ঢাকা ০১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :

স্বাধীনতা দিবস সামনে, প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপনকে ঘিরে দেশের প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে। সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ইতোমধ্যেই নতুন সাজে সেজে উঠেছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রংয়ের কাজ এবং ফুলের বাগান দিয়ে স্মৃতিসৌধকে দেওয়া হয়েছে এক মনোরম রূপ।

 

২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্মৃতিসৌধ সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, শ্রমিকরা দিনরাত কাজ করে প্রাঙ্গণকে সাজিয়ে তুলেছেন। তাদের কণ্ঠে দেশাত্মবোধক গান, আর হাতে সাজানোর ব্যস্ততা—সব মিলিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার ইতিহাস জানানোর প্রত্যয়ে তারা এই কাজে নিবেদিত ছিলেন।

 

স্মৃতিসৌধের প্রতিটি স্তম্ভ যেন বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস বহন করে। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১—এই সময়ের রক্তক্ষয়ী আন্দোলন ও আত্মত্যাগের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই স্থাপনা। এটি শুধু একটি স্মৃতিচিহ্ন নয়, বরং সাহস, ত্যাগ এবং স্বাধীনতার চেতনার প্রতিফলন।

 

কর্মরত কারিগররা জানান, কাজ শেষ করতে তারা ছুটির দিনও বাদ দিয়েছেন। তবুও এতে কোনো ক্লান্তি নেই, বরং নিজেদের কাজের মধ্যেই তারা আনন্দ খুঁজে পেয়েছেন।

 

প্রতি বছরের মতো এবারও স্বাধীনতা দিবসের সকালে লাখো মানুষ এই স্মৃতিসৌধে এসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এই দিনটি নতুন করে জাতিকে স্বাধীনতার মূল্য উপলব্ধি করাবে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:০৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
৭ বার পড়া হয়েছে

স্বাধীনতা দিবস সামনে, প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা

আপডেট সময় ১২:০৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপনকে ঘিরে দেশের প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে। সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ইতোমধ্যেই নতুন সাজে সেজে উঠেছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রংয়ের কাজ এবং ফুলের বাগান দিয়ে স্মৃতিসৌধকে দেওয়া হয়েছে এক মনোরম রূপ।

 

২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্মৃতিসৌধ সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, শ্রমিকরা দিনরাত কাজ করে প্রাঙ্গণকে সাজিয়ে তুলেছেন। তাদের কণ্ঠে দেশাত্মবোধক গান, আর হাতে সাজানোর ব্যস্ততা—সব মিলিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার ইতিহাস জানানোর প্রত্যয়ে তারা এই কাজে নিবেদিত ছিলেন।

 

স্মৃতিসৌধের প্রতিটি স্তম্ভ যেন বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস বহন করে। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১—এই সময়ের রক্তক্ষয়ী আন্দোলন ও আত্মত্যাগের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই স্থাপনা। এটি শুধু একটি স্মৃতিচিহ্ন নয়, বরং সাহস, ত্যাগ এবং স্বাধীনতার চেতনার প্রতিফলন।

 

কর্মরত কারিগররা জানান, কাজ শেষ করতে তারা ছুটির দিনও বাদ দিয়েছেন। তবুও এতে কোনো ক্লান্তি নেই, বরং নিজেদের কাজের মধ্যেই তারা আনন্দ খুঁজে পেয়েছেন।

 

প্রতি বছরের মতো এবারও স্বাধীনতা দিবসের সকালে লাখো মানুষ এই স্মৃতিসৌধে এসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এই দিনটি নতুন করে জাতিকে স্বাধীনতার মূল্য উপলব্ধি করাবে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।