ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo রাজধানীতে অব্যাহত জ্বালানি সংকট, পাম্পে দীর্ঘ লাইন; আসাম থেকে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল Logo দায়িত্বে অনুপস্থিতি: রাঙ্গামাটির এক সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার সাময়িক বরখাস্ত Logo নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে নারীর অগ্রযাত্রা জরুরি: জুবাইদা রহমান Logo আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ: অধিকার, ন্যায়বিচার ও উদ্যোগের বার্তা Logo পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস: দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি, তাপমাত্রায় সামান্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত Logo জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শন, নানা অনিয়মের চিত্র Logo জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই, পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে: জ্বালানি মন্ত্রী Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন: সিটি করপোরেশন ভোটে বড় বাধা দেখছে না নির্বাচন কমিশন Logo আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ‘অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া Logo ঐতিহাসিক ৭ মার্চ: স্বাধীনতার সংগ্রামে বাঙালিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু

পাকিস্তানের সমুদ্রে কৃত্রিম দ্বীপ—তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন অধ্যায়

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

সংগৃহিত

পাকিস্তান এবার সমুদ্রের ভেতরে কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ করে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের প্রস্তুতি শুরু করেছে। রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (পিপিএল)-এর বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সিন্ধু উপকূলের সুজাওয়াল জেলার প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে, সমুদ্রের মধ্যভাগে এই কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করা হবে। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত একটি তেল-গ্যাস সম্মেলনে পিপিএলের জেনারেল ম্যানেজার (এক্সপ্লোরেশন ও কোর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) আরশাদ পালেকার গণমাধ্যমকে জানান—এই প্ল্যাটফর্মটি সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতা মোকাবিলা করার মতো করে নকশা করা হয়েছে, যাতে দিন-রাত নির্বিঘ্নে অনুসন্ধান চলতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানের সম্ভাব্য ‘বড় তেলসম্পদে’ আগ্রহ প্রকাশ করায় অফশোর ড্রিলিং কার্যক্রম নতুন গতি পায়। এর পরপরই পিপিএল, মারি এনার্জিস লিমিটেড এবং প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল অয়েল অ্যান্ড গ্যাসকে নতুন অনুসন্ধান লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

আর্শাদ পালেকার আরও জানান, পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। আবুধাবির একটি সফল অফশোর প্রকল্পের আদলে এই কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ড্রিলিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে এবং আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে পুরো দ্বীপের কাজ শেষ হবে। এরপর ২৫টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে পাকিস্তানে জাহাজের পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বৃহৎ সমুদ্রগামী জাহাজগুলো পূর্ব থেকে পশ্চিমমুখী দীর্ঘ রুট পাড়ি দিতে পারবে কোনো বিরতি ছাড়াই। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—পাকিস্তানের তেল-গ্যাস চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ হতে পারে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:২১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
৭৮ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের সমুদ্রে কৃত্রিম দ্বীপ—তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন অধ্যায়

আপডেট সময় ০৮:২১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

পাকিস্তান এবার সমুদ্রের ভেতরে কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ করে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের প্রস্তুতি শুরু করেছে। রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (পিপিএল)-এর বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সিন্ধু উপকূলের সুজাওয়াল জেলার প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে, সমুদ্রের মধ্যভাগে এই কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করা হবে। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত একটি তেল-গ্যাস সম্মেলনে পিপিএলের জেনারেল ম্যানেজার (এক্সপ্লোরেশন ও কোর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) আরশাদ পালেকার গণমাধ্যমকে জানান—এই প্ল্যাটফর্মটি সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতা মোকাবিলা করার মতো করে নকশা করা হয়েছে, যাতে দিন-রাত নির্বিঘ্নে অনুসন্ধান চলতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানের সম্ভাব্য ‘বড় তেলসম্পদে’ আগ্রহ প্রকাশ করায় অফশোর ড্রিলিং কার্যক্রম নতুন গতি পায়। এর পরপরই পিপিএল, মারি এনার্জিস লিমিটেড এবং প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল অয়েল অ্যান্ড গ্যাসকে নতুন অনুসন্ধান লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

আর্শাদ পালেকার আরও জানান, পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। আবুধাবির একটি সফল অফশোর প্রকল্পের আদলে এই কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ড্রিলিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে এবং আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে পুরো দ্বীপের কাজ শেষ হবে। এরপর ২৫টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে পাকিস্তানে জাহাজের পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বৃহৎ সমুদ্রগামী জাহাজগুলো পূর্ব থেকে পশ্চিমমুখী দীর্ঘ রুট পাড়ি দিতে পারবে কোনো বিরতি ছাড়াই। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—পাকিস্তানের তেল-গ্যাস চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ হতে পারে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।