ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo পাকিস্তান না থাকলে বিশ্বকাপের সম্প্রচার ব্যবসা ধসে পড়বে: বাসিত আলী Logo গাজায় ইসরায়েলি অভিযানে প্রজন্ম ধ্বংসের করুণ চিত্র Logo লেবাননে আইডিএফের নতুন বিমান হামলা, নিহত হিজবুল্লাহর শীর্ষ আর্টিলারি কর্মকর্তা Logo দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মুন্সিগঞ্জে বিএনপির দুই নেতা বহিষ্কার Logo হামলা-মামলা দিয়ে নির্বাচন বন্ধ করা যাবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : চানখারপুলে ছয় হত্যাকাণ্ডের মামলার রায় আজ Logo রূপপুর প্রকল্পে ব্যয় বাড়ছে আরও সাড়ে ২৫ হাজার কোটি টাকা Logo জামায়াত আমিরের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, নির্বাচনসহ দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা Logo সাফ নারী ফুটসাল জয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান Logo স্বর্ণের দামে নতুন ইতিহাস, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৫৭ হাজার টাকা

১৯৪৬ সালে হ্যারি ট্রুম্যান গ্রিনল্যান্ড ১০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ক্রয় করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

১৯৪৬ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান ১০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ট্রুম্যান ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম প্রেসিডেন্ট। কিন্তু বিশ্বের বৃহত্তম এই দ্বীপটি কেনার ভাবনা তখন অনেকেই মানতে পারেননি। কারণ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ডিকলোনাইজেশনের সময় একটি স্বাধীন দেশের সম্পূর্ণ অঞ্চল কেনা রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হত।

তবে মার্কিন সরকার সেই সময়ে গ্রিনল্যান্ডের কিছু অংশে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য লিজ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। সম্পূর্ণ দ্বীপ কিনে নেওয়ার চিন্তা তখন কোনো প্রেসিডেন্টের মুখে ওঠেনি, ট্রাম্পের আগে এমন সাহসিকতা কেউ দেখাননি।

গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, আয়তন হিসেবে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৫ গুণ বড়। দ্বীপটির ৮০ শতাংশ বরফে ঢাকা হলেও, সেখানে বসবাসকারী মানুষ কম। তবে দ্বীপটিতে রয়েছে বিপুল মৎস্যসম্পদ, বিশুদ্ধ পানি, বিরল প্রাণিবৈচিত্র্য এবং অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

এছাড়াও গ্রিনল্যান্ডে কম্পিউটার, স্মার্টফোন ও ব্যাটারিচালিত গাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় দুষ্প্রাপ্য খনিজ পদার্থ রয়েছে। ইউরেনিয়াম ও জিংকের মজুতও আছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ক্রয় করতে সক্ষম হন, তবে এটি শিল্পজাত খনিজ পদার্থের ক্ষেত্রে চীনের প্রভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
১২ বার পড়া হয়েছে

১৯৪৬ সালে হ্যারি ট্রুম্যান গ্রিনল্যান্ড ১০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ক্রয় করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন

আপডেট সময় ০৯:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

১৯৪৬ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান ১০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ট্রুম্যান ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম প্রেসিডেন্ট। কিন্তু বিশ্বের বৃহত্তম এই দ্বীপটি কেনার ভাবনা তখন অনেকেই মানতে পারেননি। কারণ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ডিকলোনাইজেশনের সময় একটি স্বাধীন দেশের সম্পূর্ণ অঞ্চল কেনা রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হত।

তবে মার্কিন সরকার সেই সময়ে গ্রিনল্যান্ডের কিছু অংশে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য লিজ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। সম্পূর্ণ দ্বীপ কিনে নেওয়ার চিন্তা তখন কোনো প্রেসিডেন্টের মুখে ওঠেনি, ট্রাম্পের আগে এমন সাহসিকতা কেউ দেখাননি।

গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, আয়তন হিসেবে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৫ গুণ বড়। দ্বীপটির ৮০ শতাংশ বরফে ঢাকা হলেও, সেখানে বসবাসকারী মানুষ কম। তবে দ্বীপটিতে রয়েছে বিপুল মৎস্যসম্পদ, বিশুদ্ধ পানি, বিরল প্রাণিবৈচিত্র্য এবং অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

এছাড়াও গ্রিনল্যান্ডে কম্পিউটার, স্মার্টফোন ও ব্যাটারিচালিত গাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় দুষ্প্রাপ্য খনিজ পদার্থ রয়েছে। ইউরেনিয়াম ও জিংকের মজুতও আছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ক্রয় করতে সক্ষম হন, তবে এটি শিল্পজাত খনিজ পদার্থের ক্ষেত্রে চীনের প্রভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে।