যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধ আশঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ সময়ের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আগে থেকেই অস্থিতিশীল এই অঞ্চলে সম্ভাব্য সংঘাত নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে।
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে প্রায় ২০ ঘণ্টার বৈঠকেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি দুই দেশ। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, মতপার্থক্য এতটাই গভীর যে আপাতত সমাধান সম্ভব হয়নি। আলোচনার ফল ছাড়াই উভয় পক্ষ নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছে।
এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। যুদ্ধবিরতি হবে কি না, কিংবা সামনে কী ঘটতে যাচ্ছে—তা নিয়ে স্পষ্ট কোনো ধারণা নেই।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সাধারণ মানুষও এই অচলাবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দোহা, তেল আবিব, তেহরান ও আবুধাবির বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি যেকোনো সময় আরও খারাপ হতে পারে। অনেকেই শুরু থেকেই আলোচনার সফলতা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন।
এদিকে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে রোববার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের নির্দেশ দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের সঙ্গে যুক্ত কোনো জাহাজ শুল্ক দিলে তা আটক করা হবে। একই সঙ্গে ইরানের তেল আয়ের পথ বন্ধ করারও হুমকি দেন তিনি।
অন্যদিকে, সৌদি আরব জানিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলার পর তাদের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলো পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। তবে যুদ্ধ ফের শুরু হতে পারে—এমন আশঙ্কা রয়েই গেছে।
ইরান ও লেবাননসহ অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংঘাত এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ছে এবং এর প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বিশ্বজুড়েই পড়তে পারে।

























