ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :

এসএসসি পরীক্ষায় আবার চালু হচ্ছে ‘নীরব বহিষ্কার’ পদ্ধতি

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা নীরব বহিষ্কারের বিধান পুনরায় কার্যকর করা হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত পরীক্ষার নীতিমালায় এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

এই পদ্ধতিতে পরীক্ষার হলে কোনো শিক্ষার্থীকে সরাসরি ধরার প্রয়োজন হয় না। যদি কেউ নিয়ম ভঙ্গ করে—যেমন কথা বলা, বারবার ঘাড় ঘোরানো বা অন্যের উত্তর দেখে লেখা—তাহলে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক তাকে নীরবে বহিষ্কার করতে পারেন। এতে পরীক্ষার্থী তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও পরে তার উত্তরপত্র বাতিল হয়ে যায়।

 

নির্দেশনা অনুযায়ী, এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ অক্ষত রেখে পর্যবেক্ষকের প্রতিবেদনসহ নির্ধারিত গোপনীয় ফরম পূরণ করতে হবে। পরীক্ষা শেষে ওই খাতা আলাদা করে প্যাকেটবন্দি করতে হবে এবং প্যাকেটের ওপর লাল কালি দিয়ে ‘রিপোর্টেড’ লিখে অন্যান্য খাতার সঙ্গে আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে পাঠাতে হবে।

 

আরও বলা হয়েছে, নীরব বহিষ্কারের ক্ষেত্রে এর কারণ পরিষ্কারভাবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে। তবে এমন শিক্ষার্থীরা পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে অংশ নিতে পারবে। যদিও তাদের পরবর্তী সব পরীক্ষার উত্তরপত্রও একইভাবে পৃথক প্যাকেটে সংরক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট তথ্যসহ জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:১২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
২০ বার পড়া হয়েছে

এসএসসি পরীক্ষায় আবার চালু হচ্ছে ‘নীরব বহিষ্কার’ পদ্ধতি

আপডেট সময় ১২:১২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা নীরব বহিষ্কারের বিধান পুনরায় কার্যকর করা হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত পরীক্ষার নীতিমালায় এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

এই পদ্ধতিতে পরীক্ষার হলে কোনো শিক্ষার্থীকে সরাসরি ধরার প্রয়োজন হয় না। যদি কেউ নিয়ম ভঙ্গ করে—যেমন কথা বলা, বারবার ঘাড় ঘোরানো বা অন্যের উত্তর দেখে লেখা—তাহলে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক তাকে নীরবে বহিষ্কার করতে পারেন। এতে পরীক্ষার্থী তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও পরে তার উত্তরপত্র বাতিল হয়ে যায়।

 

নির্দেশনা অনুযায়ী, এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ অক্ষত রেখে পর্যবেক্ষকের প্রতিবেদনসহ নির্ধারিত গোপনীয় ফরম পূরণ করতে হবে। পরীক্ষা শেষে ওই খাতা আলাদা করে প্যাকেটবন্দি করতে হবে এবং প্যাকেটের ওপর লাল কালি দিয়ে ‘রিপোর্টেড’ লিখে অন্যান্য খাতার সঙ্গে আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে পাঠাতে হবে।

 

আরও বলা হয়েছে, নীরব বহিষ্কারের ক্ষেত্রে এর কারণ পরিষ্কারভাবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে। তবে এমন শিক্ষার্থীরা পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে অংশ নিতে পারবে। যদিও তাদের পরবর্তী সব পরীক্ষার উত্তরপত্রও একইভাবে পৃথক প্যাকেটে সংরক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট তথ্যসহ জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।