ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo যুদ্ধের প্রভাবে ডিউকস বল সংকট, সীমিত সরবরাহে শুরু হচ্ছে ইংল্যান্ডের মৌসুম Logo দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, শনিবার পালিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর Logo ওয়াশিংটনের সামরিক ঘাঁটিতে রহস্যময় ড্রোন, নিরাপত্তা জোরদার Logo  ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শুভেচ্ছা মোদির Logo  অশ্লীল গানের অভিযোগে আইনি নোটিস পেলেন নোরা, সঞ্জয় ও বাদশা Logo  স্বর্ণের দামে আবার বড় পতন, ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে ভরিতে কমলো ৭৬৯৮ টাকা Logo চাঁদ না দেখায় সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার Logo গার্দিওলার মতে সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ লিভারপুল, রিয়াল নয় Logo তেলের দাম অপরিবর্তিত, সংকট মোকাবিলায় সরকারের কার্যকারিতা প্রশংসিত: মির্জা ফখরুল Logo ঈদের দিন যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

জুমার দিনে পালনযোগ্য ৫টি গুরুত্বপূর্ণ আমল

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি: সংগৃহীত

সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে জুমাবার ইসলামে বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত। এ দিনকে “সপ্তাহের ঈদ” বলা হয়ে থাকে, যার ফজিলত ও বরকত অপরিসীম। পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে জুমার দিনের বিশেষ কিছু আমল ও করণীয় সম্পর্কে বর্ণনা এসেছে, যা মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১. গোসল ও মসজিদে আগে যাওয়া
জুমার দিনে ভালোভাবে গোসল করা এবং সময়মতো মসজিদে যাওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি গোসল করে প্রথমে মসজিদে পৌঁছায় এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনে, তার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব পাওয়া যায়। (আবু দাউদ ৩৪৫, বোখারি ৮৪১)

২. জুমার নামাজ
জুমার নামাজ ইসলামে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে আরেক জুমা এবং এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ছোট গুনাহগুলো মাফ হয়ে যায়, যদি কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকা হয়। (মুসলিম ২৩৩)

৩. দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত
জুমার দিন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যখন আল্লাহর কাছে করা দোয়া অবশ্যই কবুল হয়। এই সময়টি আসরের পর সন্ধ্যার আগে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। তাই এই সময়ে বিশেষভাবে দোয়া করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে। (আবু দাউদ ১০৪৮)

৪. সুরা কাহাফ পাঠ
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলের একটি হলো সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যারা এ দিন সুরা কাহাফ পাঠ করে, তাদের জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় আলোকিত হয়ে যায়। এছাড়া দাজ্জালের ফিতনা থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। (তারগিব ১৪৭৩, আল মুসতাদরাক ২/৩৯৯)

৫. দরুদ শরিফ পাঠ
জুমার দিনে রাসুল (সা.)-এর ওপর বেশি পরিমাণ দরুদ পড়ার উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে, এই দিনে পাঠ করা দরুদ সরাসরি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দরবারে পেশ করা হয়। সাহাবারা জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, তাঁর দেহ মাটি ভক্ষণ করবে না, কারণ আল্লাহ তা নিষিদ্ধ করেছেন। (আবু দাউদ ১০৪৭)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
২৫৩ বার পড়া হয়েছে

জুমার দিনে পালনযোগ্য ৫টি গুরুত্বপূর্ণ আমল

আপডেট সময় ০৫:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে জুমাবার ইসলামে বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত। এ দিনকে “সপ্তাহের ঈদ” বলা হয়ে থাকে, যার ফজিলত ও বরকত অপরিসীম। পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে জুমার দিনের বিশেষ কিছু আমল ও করণীয় সম্পর্কে বর্ণনা এসেছে, যা মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১. গোসল ও মসজিদে আগে যাওয়া
জুমার দিনে ভালোভাবে গোসল করা এবং সময়মতো মসজিদে যাওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি গোসল করে প্রথমে মসজিদে পৌঁছায় এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনে, তার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব পাওয়া যায়। (আবু দাউদ ৩৪৫, বোখারি ৮৪১)

২. জুমার নামাজ
জুমার নামাজ ইসলামে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে আরেক জুমা এবং এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ছোট গুনাহগুলো মাফ হয়ে যায়, যদি কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকা হয়। (মুসলিম ২৩৩)

৩. দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত
জুমার দিন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যখন আল্লাহর কাছে করা দোয়া অবশ্যই কবুল হয়। এই সময়টি আসরের পর সন্ধ্যার আগে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। তাই এই সময়ে বিশেষভাবে দোয়া করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে। (আবু দাউদ ১০৪৮)

৪. সুরা কাহাফ পাঠ
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলের একটি হলো সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যারা এ দিন সুরা কাহাফ পাঠ করে, তাদের জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় আলোকিত হয়ে যায়। এছাড়া দাজ্জালের ফিতনা থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। (তারগিব ১৪৭৩, আল মুসতাদরাক ২/৩৯৯)

৫. দরুদ শরিফ পাঠ
জুমার দিনে রাসুল (সা.)-এর ওপর বেশি পরিমাণ দরুদ পড়ার উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে, এই দিনে পাঠ করা দরুদ সরাসরি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দরবারে পেশ করা হয়। সাহাবারা জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, তাঁর দেহ মাটি ভক্ষণ করবে না, কারণ আল্লাহ তা নিষিদ্ধ করেছেন। (আবু দাউদ ১০৪৭)