ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo সকালে কোয়েলের ডিম খেলে মিলবে যে অসাধারণ উপকার Logo শীতে পানি কেন বেশি জরুরি—চমকে যাওয়ার মতো কারণ! Logo ঠান্ডায় রোগপ্রতিরোধ দুর্বল? প্রতিদিন খান এগুলো Logo বিশ্বে সবচেয়ে দুর্লভ রক্ত কোনটি? জানুন ‘গোল্ডেন ব্লাড’-এর রহস্য Logo বিশ্বজুড়ে নিষিদ্ধ আকাশসীমা: কেন উড়তে পারে না বিমান Logo খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সিলেটে অসহায়দের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ Logo দুদকের তদন্তের মুখে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান; শেখ হাসিনাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ Logo  তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo  সিলেটে নিখোঁজ ছাতকের সৌরভ, খুঁজে পেতে সহযোগিতার আহ্বান Logo সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনে আগুন, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

জুলাই ঘোষণাপত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপেক্ষিত, হতাশা জানাল জামায়াত

নিজস্ব সংবাদ :

 

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশের পর তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঘোষণাপত্র পাঠ শেষে এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, ঘোষণাপত্রে ‘জুলাই বিপ্লব’-এর মূল চেতনা ও জনগণের প্রত্যাশার যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি। তাহের বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম ঘোষণাপত্রটি সংবিধানে প্রিয়াম্বেল আকারে যুক্ত হবে। বাস্তবায়নের তারিখ নিয়েও আমরা পরিষ্কার ধারণা পাইনি—যেখানে বলা হয়েছিল ৫ আগস্ট থেকেই বাস্তবায়ন শুরু হবে।”

তাছাড়া, আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহতদের স্বীকৃতি ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা ঘোষণাপত্রে নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তার মতে, “মুক্তিযোদ্ধাদের যেভাবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে, ঠিক তেমনই ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ও আজীবন ভাতা ও সম্মাননার বিষয়টি আমরা প্রস্তাব করেছিলাম। কিন্তু সেই দাবি ঘোষণাপত্রে প্রতিফলিত হয়নি। এটি অনেকটাই শুধু একটি রাজনৈতিক রচনা হয়ে গেছে।”

এর আগে ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’কে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের অধীনে প্রণীত সংস্কারকৃত সংবিধানে এ ঘোষণাপত্র যুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে আন্দোলনে নিহতদের ‘জাতীয় বীর’ ঘোষণা, আহত ও অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও করা হয়।

তবে জামায়াতের মতে, এসব অঙ্গীকারে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের স্পষ্টতা অনুপস্থিত, যা জনগণের মধ্যে হতাশার জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:০১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
১৬৩ বার পড়া হয়েছে

জুলাই ঘোষণাপত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপেক্ষিত, হতাশা জানাল জামায়াত

আপডেট সময় ০৭:০১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

 

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশের পর তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঘোষণাপত্র পাঠ শেষে এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, ঘোষণাপত্রে ‘জুলাই বিপ্লব’-এর মূল চেতনা ও জনগণের প্রত্যাশার যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি। তাহের বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম ঘোষণাপত্রটি সংবিধানে প্রিয়াম্বেল আকারে যুক্ত হবে। বাস্তবায়নের তারিখ নিয়েও আমরা পরিষ্কার ধারণা পাইনি—যেখানে বলা হয়েছিল ৫ আগস্ট থেকেই বাস্তবায়ন শুরু হবে।”

তাছাড়া, আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহতদের স্বীকৃতি ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা ঘোষণাপত্রে নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তার মতে, “মুক্তিযোদ্ধাদের যেভাবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে, ঠিক তেমনই ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ও আজীবন ভাতা ও সম্মাননার বিষয়টি আমরা প্রস্তাব করেছিলাম। কিন্তু সেই দাবি ঘোষণাপত্রে প্রতিফলিত হয়নি। এটি অনেকটাই শুধু একটি রাজনৈতিক রচনা হয়ে গেছে।”

এর আগে ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’কে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের অধীনে প্রণীত সংস্কারকৃত সংবিধানে এ ঘোষণাপত্র যুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে আন্দোলনে নিহতদের ‘জাতীয় বীর’ ঘোষণা, আহত ও অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও করা হয়।

তবে জামায়াতের মতে, এসব অঙ্গীকারে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের স্পষ্টতা অনুপস্থিত, যা জনগণের মধ্যে হতাশার জন্ম দিয়েছে।