ঈদকে সামনে রেখে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে তুলে নেওয়া হলো সব বিধিনিষেধ
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল সরবরাহ নিয়ে স্বস্তির খবর দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি জানিয়েছেন, জ্বালানি তেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থাসহ সব ধরনের সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ঈদ সামনে থাকায় জ্বালানি তেলের চাহিদা বাড়বে—এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রির ওপর আরোপিত সব বিধিনিষেধ বাতিল করা হয়েছে।
তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে তিনটি প্রধান কারণ রয়েছে। প্রথমত, দেশে নতুন করে কয়েকটি জ্বালানি তেলের জাহাজ এসেছে। দ্বিতীয়ত, ঈদকে কেন্দ্র করে মানুষের যাতায়াত বৃদ্ধি পাবে। তৃতীয়ত, বর্তমানে বোরো মৌসুম চলায় কৃষকদেরও জ্বালানি তেলের প্রয়োজন বাড়ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ইতোমধ্যে আমদানিকৃত তেলের কয়েকটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা এবং কৃষকদের বোরো মৌসুমে প্রয়োজন মেটাতে জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রেশনিংসহ সব সীমাবদ্ধতা তুলে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব বিতরণ কেন্দ্র থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দাম বাড়তে পারে—এমন উদ্বেগ অস্বাভাবিক নয়। তবে সরকার চেষ্টা করবে জ্বালানি তেলের বর্তমান দাম অপরিবর্তিত রাখতে। অর্থনীতি যতদিন চাপ সামলাতে পারবে, ততদিন দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই।
এর আগে শনিবার সরকার জ্বালানি তেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রোববার থেকে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে স্বাভাবিক নিয়মেই জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিক্রি চলবে।

























