ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বকেয়া টাকা নিয়ে বিরোধ, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ Logo ইকরার আত্মহত্যা মামলায় ১৭ মে’র মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ Logo বন্দিদের ওপর নির্যাতন নিয়ে ভয়াবহ অভিযোগ, ‘মৃত্যুই কামনা করেছিলাম’ Logo ছুটি শেষে ফটকে তালা, ওয়াশরুমে আটকে ছিল তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী Logo হামের চিকিৎসার ব্যয় বেড়ে দিশেহারা পরিবারগুলো Logo এসএসসি পরীক্ষায় আবার চালু হচ্ছে ‘নীরব বহিষ্কার’ পদ্ধতি Logo চিকিৎসার পর পুনর্বাসনের জন্য মালয়েশিয়ায় নেওয়া হলো মির্জা আব্বাসকে Logo দেবীদ্বারের সড়ক সংস্কারে জরুরি পদক্ষেপ চাইলেন এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ Logo জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী Logo অনলাইন ক্লাসে অনাগ্রহ, তবুও বৈশ্বিক বাস্তবতায় এগোতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ট্রাম্পের হুমকির জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধের সতর্কবার্তা ইরানের

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট  ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুমকির পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার সতর্কতা জানিয়েছে ইরান। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা হলে তাৎক্ষণিকভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে।

 

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র এই কৌশলগত প্রণালীতে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালালেও সফল হয়নি। এ অবস্থায় শনিবার (২১ মার্চ) ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রণালী পুরোপুরি চালু না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে।

 

এর জবাবে রোববার (২২ মার্চ) ইরানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইব্রাহিম যুলফাগারি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, হরমুজ প্রণালী এখনো পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি, তবে এটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি জানান, নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় নির্দিষ্ট শর্তে কিছু জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

 

তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালায়, তাহলে প্রণালী সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পুনর্নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত তা খোলা হবে না। পাশাপাশি ইসরাইলের জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর থেকেই হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা বাড়ে। ইরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল কার্যত সীমিত হয়ে পড়ে। এতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের বেশি ছাড়িয়েছে।

 

এদিকে প্রণালী সচল রাখতে ন্যাটো মিত্রদের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। যদিও বেশিরভাগ দেশ এখনো সরাসরি অংশগ্রহণে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। তবে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও জাপান পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ইঙ্গিত দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:১৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
২৬ বার পড়া হয়েছে

ট্রাম্পের হুমকির জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধের সতর্কবার্তা ইরানের

আপডেট সময় ১০:১৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট  ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুমকির পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার সতর্কতা জানিয়েছে ইরান। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা হলে তাৎক্ষণিকভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে।

 

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র এই কৌশলগত প্রণালীতে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালালেও সফল হয়নি। এ অবস্থায় শনিবার (২১ মার্চ) ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রণালী পুরোপুরি চালু না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে।

 

এর জবাবে রোববার (২২ মার্চ) ইরানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইব্রাহিম যুলফাগারি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, হরমুজ প্রণালী এখনো পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি, তবে এটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি জানান, নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় নির্দিষ্ট শর্তে কিছু জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

 

তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালায়, তাহলে প্রণালী সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পুনর্নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত তা খোলা হবে না। পাশাপাশি ইসরাইলের জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর থেকেই হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা বাড়ে। ইরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল কার্যত সীমিত হয়ে পড়ে। এতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের বেশি ছাড়িয়েছে।

 

এদিকে প্রণালী সচল রাখতে ন্যাটো মিত্রদের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। যদিও বেশিরভাগ দেশ এখনো সরাসরি অংশগ্রহণে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। তবে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও জাপান পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ইঙ্গিত দিয়েছে।