ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শাকিরা ও বার্না বয়ের থিম সং ‘দাই দাই’ Logo পটুয়াখালীতে বন্ধ ঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, রুমমেট পলাতক Logo বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যার সন্দেহভাজন আবুঘরবেহ তিন বছর আগে মাকেও মারধর করেছিলেন Logo সংসদে নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াত নেতা তাহের Logo সাকিবের পাশাপাশি মাশরাফি ও দুর্জয়কেও আলোচনায় আনতে বললেন তামিম Logo বিএনপির প্রতি আস্থা হারাচ্ছি: সংসদে নাহিদ ইসলামের মন্তব্য Logo নিপীড়নের আশঙ্কা জানালে ভিসা নয়—যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতি Logo ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি Logo ট্রাম্পকে ‘রাজার খোঁচা’ দিলেন ব্রিটিশ চার্লস, ফরাসি ভাষা নিয়ে ব্যঙ্গ Logo ডে-কেয়ারে হাত-পা বেঁধে রাখা ৫০ শিশু, নেশাদ্রব্য প্রয়োগের অভিযোগে তোলপাড়

পাহাড়ে হানাহানি নয়, ঐক্য ও সৌহার্দ্যের বার্তা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

সংগৃহিত

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে কোনোভাবেই অশান্তি বা হানাহানি দেখতে চায় না সরকার।
তিনি বলেন, “আমরা উন্নয়ন, সম্প্রীতি ও শান্তি চাই। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট না হয়, সবাইকে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।”

শনিবার রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সম্মিলিত জাতীয় কঠিন চীবরদান উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, এ উৎসব অন্তর্বর্তী সরকারের সহায়তায় প্রথমবার জাতীয় পর্যায়ে আয়োজিত হয়েছে, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত।
এছাড়া বৌদ্ধদের প্রবারণা উৎসবকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার প্রস্তাবও সরকারের কাছে দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশের মূল শক্তিই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই মিলেই এ ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৪৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
১৮৩ বার পড়া হয়েছে

পাহাড়ে হানাহানি নয়, ঐক্য ও সৌহার্দ্যের বার্তা

আপডেট সময় ১০:৪৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে কোনোভাবেই অশান্তি বা হানাহানি দেখতে চায় না সরকার।
তিনি বলেন, “আমরা উন্নয়ন, সম্প্রীতি ও শান্তি চাই। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট না হয়, সবাইকে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।”

শনিবার রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সম্মিলিত জাতীয় কঠিন চীবরদান উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, এ উৎসব অন্তর্বর্তী সরকারের সহায়তায় প্রথমবার জাতীয় পর্যায়ে আয়োজিত হয়েছে, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত।
এছাড়া বৌদ্ধদের প্রবারণা উৎসবকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার প্রস্তাবও সরকারের কাছে দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশের মূল শক্তিই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই মিলেই এ ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে।”