ঢাকা ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শাকিরা ও বার্না বয়ের থিম সং ‘দাই দাই’ Logo পটুয়াখালীতে বন্ধ ঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, রুমমেট পলাতক Logo বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যার সন্দেহভাজন আবুঘরবেহ তিন বছর আগে মাকেও মারধর করেছিলেন Logo সংসদে নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াত নেতা তাহের Logo সাকিবের পাশাপাশি মাশরাফি ও দুর্জয়কেও আলোচনায় আনতে বললেন তামিম Logo বিএনপির প্রতি আস্থা হারাচ্ছি: সংসদে নাহিদ ইসলামের মন্তব্য Logo নিপীড়নের আশঙ্কা জানালে ভিসা নয়—যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতি Logo ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি Logo ট্রাম্পকে ‘রাজার খোঁচা’ দিলেন ব্রিটিশ চার্লস, ফরাসি ভাষা নিয়ে ব্যঙ্গ Logo ডে-কেয়ারে হাত-পা বেঁধে রাখা ৫০ শিশু, নেশাদ্রব্য প্রয়োগের অভিযোগে তোলপাড়

মশার কামড়ে কেন সঙ্গে সঙ্গে ব্যথা লাগে না, জানালেন বিশেষজ্ঞরা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

রাতে মশার ভনভন শব্দ যেমন বিরক্তিকর, তেমনি মশার কামড়ও আমাদের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে অনেকেই খেয়াল করেছেন, মশা কামড়ানোর সময় তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথা অনুভূত হয় না; বরং কিছুক্ষণ পর সেখানে চুলকানি শুরু হয়।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে রয়েছে মশার এক ধরনের জৈবিক কৌশল। মশা রক্ত নেওয়ার আগে ত্বকে তার লালা নিঃসরণ করে। এই লালার মধ্যে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা ত্বকের নির্দিষ্ট অংশকে সাময়িকভাবে অবশ করে দেয়। ফলে মশা হুল ফোটালেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যথা অনুভূত হয় না।

 

এছাড়া, মশার লালায় এমন রাসায়নিকও থাকে যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। এতে মশা সহজেই রক্ত সংগ্রহ করতে পারে।

 

মশা চলে যাওয়ার পর, শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ওই লালার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে। এর ফলেই কামড়ের স্থানে ফোলা ও চুলকানি দেখা দেয়।

 

বিশেষজ্ঞরা জানান, মশার এই প্রক্রিয়াটি প্রকৃতির এক অভিনব উদাহরণ, যা তাদের খুব সহজে রক্ত সংগ্রহ করতে সহায়তা করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:২৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
৪১ বার পড়া হয়েছে

মশার কামড়ে কেন সঙ্গে সঙ্গে ব্যথা লাগে না, জানালেন বিশেষজ্ঞরা

আপডেট সময় ০৭:২৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

রাতে মশার ভনভন শব্দ যেমন বিরক্তিকর, তেমনি মশার কামড়ও আমাদের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে অনেকেই খেয়াল করেছেন, মশা কামড়ানোর সময় তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথা অনুভূত হয় না; বরং কিছুক্ষণ পর সেখানে চুলকানি শুরু হয়।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে রয়েছে মশার এক ধরনের জৈবিক কৌশল। মশা রক্ত নেওয়ার আগে ত্বকে তার লালা নিঃসরণ করে। এই লালার মধ্যে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা ত্বকের নির্দিষ্ট অংশকে সাময়িকভাবে অবশ করে দেয়। ফলে মশা হুল ফোটালেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যথা অনুভূত হয় না।

 

এছাড়া, মশার লালায় এমন রাসায়নিকও থাকে যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। এতে মশা সহজেই রক্ত সংগ্রহ করতে পারে।

 

মশা চলে যাওয়ার পর, শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ওই লালার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে। এর ফলেই কামড়ের স্থানে ফোলা ও চুলকানি দেখা দেয়।

 

বিশেষজ্ঞরা জানান, মশার এই প্রক্রিয়াটি প্রকৃতির এক অভিনব উদাহরণ, যা তাদের খুব সহজে রক্ত সংগ্রহ করতে সহায়তা করে।