ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, সংশ্লিষ্টতায় শিক্ষক আটক Logo বাবার অভিযোগ থেকে নিজেকে আলাদা করলেন পূজা চেরি Logo সাকিব-মাশরাফির প্ল্যাকার্ড নিয়ে মাঠে প্রবেশে আর থাকছে না বাধা Logo গুলির শব্দে নৈশভোজে আতঙ্ক, ট্রাম্প–মেলানিয়াসহ অতিথিদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় Logo ৫২ দিনে ৪৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ গ্রহণ নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার কঠোর সমালোচনা Logo মেরামত শেষে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, স্বাভাবিক হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ Logo রাজধানীতে অপরাধ দমনে ‘ব্লক রেইড’ অভিযান জোরালো Logo কারিকুলাম সংস্কার অপরিহার্য, শিক্ষার মান বাড়াতে জোর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী Logo বক্তৃতার মাঝে হাস্যরস, ‘খিদা লাগছে’ বললেন প্রধানমন্ত্রী Logo সুইমিংপুলে অচেতন অবস্থায় মিলল অভিনেত্রী নাদিয়া, পরে মৃত্যু

সঞ্চয়পত্র থেকে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিল সরকার

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

সঞ্চয়পত্র থেকে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিল সরকার।

ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকা সঞ্চয়পত্রের বিক্রি বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সঞ্চয়পত্র থেকে সরকার নিট ৮ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত অর্থবছরের একই সময়ে যেখানে বিক্রির তুলনায় ভাঙানো বেশি ছিল ১ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা। আর গত অর্থবছর সব মিলিয়ে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি ২১ হাজার ১২৪ কোটি টাকা কমেছিল।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর পরিচালন ব্যয় অনেক কমেছে। এর অন্যতম কারণ মন্ত্রী, এমপিসহ অনেকের পেছনে আগের মতো আর নিয়মিত ব্যয় হচ্ছে না। আবার এখন যে কোনো খরচ করার ক্ষেত্রে জবাবদিহি বাড়ানো হয়েছে। এসব কারণে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে আগের সরকারের যে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল তা কমছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আর ১ টাকাও নিচ্ছে না সরকার। উল্টো গত আগস্ট পর্যন্ত দুই মাসে আগের ঋণের ১৮ হাজার ২৫০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। একই সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নিয়েছে ২৮ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা। যে কারণে সামগ্রিকভাবে ব্যাংক খাতে সরকারের নিট ঋণ বেড়েছে ১০ হাজার ৭০২ কোটি টাকা।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে গত সেপ্টেম্বর শেষে সঞ্চয়পত্রে সরকারের ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৬০২ কোটি টাকা। গত জুন শেষে যা ৩ লাখ ৪৬ হাজার ২৬৯ কোটি টাকায় নেমেছিল। এর মধ্যে জুলাইতে ২ হাজার ১৮৮ কোটি, আগস্টে ২ হাজার ৩৬ কোটি এবং সেপ্টেম্বরে বেড়েছে ৪ হাজার ১০৯ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি নিয়েছে। কয়েক দফায় নীতি সুদহার বাড়িয়ে রেপো রেট করা হয়েছে ১০ শতাংশ। এখন আর নতুন করে টাকা ছাপানো হচ্ছে না। আগের সরকার একই রকম ঘোষণা দিলেও তথ্য গোপন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে শেষ তিন মাসে অতিরিক্ত প্রায় ৪১ হাজার কােটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়। এক ধরনের জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ‘ওভারড্রাফট’ খাতের নামে এ অর্থ দেওয়া হয়। ওডি হিসেবে সরকার যেখানে সর্বোচ্চ ৮ হাজার কোটি টাকা নিতে পারত, সেখানে এই খাতের নামে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে দেওয়া হয় ৪৮ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা। এই উপায়ে দেওয়া টাকা সরকারি ঋণের মূল প্রতিবেদনে দেখানো হয়নি। যে কারণে গত অর্থবছর আসলে ঋণ বাড়লেও প্রতিবেদনে দেখানো হয় ৬ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা কমেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:১১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০২৪
১৭৮ বার পড়া হয়েছে

সঞ্চয়পত্র থেকে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিল সরকার

আপডেট সময় ০৮:১১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০২৪

সঞ্চয়পত্র থেকে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিল সরকার।

ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকা সঞ্চয়পত্রের বিক্রি বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সঞ্চয়পত্র থেকে সরকার নিট ৮ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত অর্থবছরের একই সময়ে যেখানে বিক্রির তুলনায় ভাঙানো বেশি ছিল ১ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা। আর গত অর্থবছর সব মিলিয়ে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি ২১ হাজার ১২৪ কোটি টাকা কমেছিল।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর পরিচালন ব্যয় অনেক কমেছে। এর অন্যতম কারণ মন্ত্রী, এমপিসহ অনেকের পেছনে আগের মতো আর নিয়মিত ব্যয় হচ্ছে না। আবার এখন যে কোনো খরচ করার ক্ষেত্রে জবাবদিহি বাড়ানো হয়েছে। এসব কারণে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে আগের সরকারের যে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল তা কমছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আর ১ টাকাও নিচ্ছে না সরকার। উল্টো গত আগস্ট পর্যন্ত দুই মাসে আগের ঋণের ১৮ হাজার ২৫০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। একই সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নিয়েছে ২৮ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা। যে কারণে সামগ্রিকভাবে ব্যাংক খাতে সরকারের নিট ঋণ বেড়েছে ১০ হাজার ৭০২ কোটি টাকা।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে গত সেপ্টেম্বর শেষে সঞ্চয়পত্রে সরকারের ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৬০২ কোটি টাকা। গত জুন শেষে যা ৩ লাখ ৪৬ হাজার ২৬৯ কোটি টাকায় নেমেছিল। এর মধ্যে জুলাইতে ২ হাজার ১৮৮ কোটি, আগস্টে ২ হাজার ৩৬ কোটি এবং সেপ্টেম্বরে বেড়েছে ৪ হাজার ১০৯ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি নিয়েছে। কয়েক দফায় নীতি সুদহার বাড়িয়ে রেপো রেট করা হয়েছে ১০ শতাংশ। এখন আর নতুন করে টাকা ছাপানো হচ্ছে না। আগের সরকার একই রকম ঘোষণা দিলেও তথ্য গোপন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে শেষ তিন মাসে অতিরিক্ত প্রায় ৪১ হাজার কােটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়। এক ধরনের জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ‘ওভারড্রাফট’ খাতের নামে এ অর্থ দেওয়া হয়। ওডি হিসেবে সরকার যেখানে সর্বোচ্চ ৮ হাজার কোটি টাকা নিতে পারত, সেখানে এই খাতের নামে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে দেওয়া হয় ৪৮ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা। এই উপায়ে দেওয়া টাকা সরকারি ঋণের মূল প্রতিবেদনে দেখানো হয়নি। যে কারণে গত অর্থবছর আসলে ঋণ বাড়লেও প্রতিবেদনে দেখানো হয় ৬ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা কমেছে।