ঢাকা ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তার বদলি

বলিউড তারকা ধর্মেন্দ্র আর নেই: মুম্বাইয়ের বাসায় ৮৯ বছর বয়সে শেষ বিদায়

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় নিজ বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৮৯ বছর। ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রথম দিকে নির্মাতা করন জোহরের উদ্ধৃতি দিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যম তার মৃত্যুর খবর প্রচার করলে অনেকেই তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। কারণ সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যম ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভুয়া খবর প্রকাশ করেছিল। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স–এ (সাবেক টুইটার) শোকবার্তা প্রকাশ করলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায় এবং ভক্তরা শোকাহত হয়ে পড়েন।

শোকবার্তায় মোদি লিখেছেন, “ধর্মেন্দ্র জির প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্রের একটি যুগের অবসান হলো। তিনি ছিলেন অসামান্য প্রতিভাধর অভিনেতা এবং দর্শকের হৃদয়ের নায়ক। এই কঠিন সময়ে আমি তার পরিবার, বন্ধু ও ভক্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”

করন জোহরও তার শোকবার্তায় জানান, “ধর্মেন্দ্র জি মূলধারার সিনেমায় নায়কের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি ছিলেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক অনন্য কিংবদন্তি—যাকে আমরা গভীরভাবে স্মরণ করবো।”

মাত্র ১২ দিন আগে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। গত অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে তাকে সেখানে ভর্তি করা হয়। আগামী ৮ ডিসেম্বর তার ৯০তম জন্মদিন পালন করার পরিকল্পনা ছিল।

১৯৩৫ সালে পাঞ্জাবের লুধিয়ানা জেলার একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এই অভিনেতা। ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হম ভি তেরে’ ছবির মাধ্যমে সিনেমায় তার পথচলা শুরু। ষাটের দশকে ‘বন্দিনী’, ‘আই মিলন কি বেলা’, ‘খামোশি’র মতো সিনেমায় রোমান্টিক নায়ক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ১৯৬৫ সালে চেতন আনন্দের যুদ্ধভিত্তিক ‘হকিকত’ ছবিতে অভিনয় করে সমালোচকদের নজর কাড়েন। এরপর ১৯৬৬ সালের ‘ফুল অউর পাথর’ তাকে বাণিজ্যিক সিনেমার প্রধান নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
৭০ বার পড়া হয়েছে

বলিউড তারকা ধর্মেন্দ্র আর নেই: মুম্বাইয়ের বাসায় ৮৯ বছর বয়সে শেষ বিদায়

আপডেট সময় ০৪:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় নিজ বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৮৯ বছর। ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রথম দিকে নির্মাতা করন জোহরের উদ্ধৃতি দিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যম তার মৃত্যুর খবর প্রচার করলে অনেকেই তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। কারণ সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যম ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভুয়া খবর প্রকাশ করেছিল। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স–এ (সাবেক টুইটার) শোকবার্তা প্রকাশ করলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায় এবং ভক্তরা শোকাহত হয়ে পড়েন।

শোকবার্তায় মোদি লিখেছেন, “ধর্মেন্দ্র জির প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্রের একটি যুগের অবসান হলো। তিনি ছিলেন অসামান্য প্রতিভাধর অভিনেতা এবং দর্শকের হৃদয়ের নায়ক। এই কঠিন সময়ে আমি তার পরিবার, বন্ধু ও ভক্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”

করন জোহরও তার শোকবার্তায় জানান, “ধর্মেন্দ্র জি মূলধারার সিনেমায় নায়কের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি ছিলেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক অনন্য কিংবদন্তি—যাকে আমরা গভীরভাবে স্মরণ করবো।”

মাত্র ১২ দিন আগে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। গত অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে তাকে সেখানে ভর্তি করা হয়। আগামী ৮ ডিসেম্বর তার ৯০তম জন্মদিন পালন করার পরিকল্পনা ছিল।

১৯৩৫ সালে পাঞ্জাবের লুধিয়ানা জেলার একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এই অভিনেতা। ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হম ভি তেরে’ ছবির মাধ্যমে সিনেমায় তার পথচলা শুরু। ষাটের দশকে ‘বন্দিনী’, ‘আই মিলন কি বেলা’, ‘খামোশি’র মতো সিনেমায় রোমান্টিক নায়ক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ১৯৬৫ সালে চেতন আনন্দের যুদ্ধভিত্তিক ‘হকিকত’ ছবিতে অভিনয় করে সমালোচকদের নজর কাড়েন। এরপর ১৯৬৬ সালের ‘ফুল অউর পাথর’ তাকে বাণিজ্যিক সিনেমার প্রধান নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেয়।