সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদেই সমাধান চান বিরোধীদলীয় নেতা
সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংক্রান্ত বিষয়টি সংসদের ভেতরেই সমাধান হওয়া উচিত বলে মত দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সংসদের মাধ্যমে যদি জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ না হয়, তাহলে পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে রাজপথে আন্দোলনের বিষয়টি সামনে আসতে পারে। তবে তারা সেই পরিস্থিতি তৈরি হোক তা চান না বলেও উল্লেখ করেন।
রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে এবং স্পিকার তা বিবেচনা করে নোটিশ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী এখন এ বিষয়টি সংসদের মধ্যেই এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি আদালতে গড়িয়েছে বলে শুনেছেন, যদিও এ সম্পর্কে তার কাছে নির্দিষ্ট তথ্য নেই। আদালতের বিষয়ে তিনি মন্তব্য না করলেও এটিকে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বিষয় হিসেবে দেখছেন না বলে জানান। তার মতে, এটি মূলত সংসদের বিষয় এবং এখানেই এর সমাধান হওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, অধিবেশনের শুরুতেই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তারা এ বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করেন। তখন স্পিকার তাদের এক ঘণ্টা পর বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন। গত বছরের ১৩ নভেম্বর জারি হওয়া আদেশের বিষয়টি তারা সংসদে তুলে ধরেছেন এবং পুরো বিষয়টি পড়ে শুনিয়েছেন।
জামায়াতের আমির বলেন, তারা সংসদ সদস্য হিসেবে ইতোমধ্যে শপথ নিয়েছেন। এখন প্রশ্ন হলো—যারা এখনো শপথ নেননি, তারা কবে শপথ নেবেন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন কবে আহ্বান করা হবে। এছাড়া গণভোটের ফলাফল কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সেটিও স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ সংবিধান সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। তাই জনগণের সেই রায়ের চূড়ান্ত অবস্থান কী হবে, সেটিও এখন পরিষ্কার হওয়া জরুরি।


























