ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo যুদ্ধের প্রভাবে ডিউকস বল সংকট, সীমিত সরবরাহে শুরু হচ্ছে ইংল্যান্ডের মৌসুম Logo দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, শনিবার পালিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর Logo ওয়াশিংটনের সামরিক ঘাঁটিতে রহস্যময় ড্রোন, নিরাপত্তা জোরদার Logo  ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শুভেচ্ছা মোদির Logo  অশ্লীল গানের অভিযোগে আইনি নোটিস পেলেন নোরা, সঞ্জয় ও বাদশা Logo  স্বর্ণের দামে আবার বড় পতন, ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে ভরিতে কমলো ৭৬৯৮ টাকা Logo চাঁদ না দেখায় সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার Logo গার্দিওলার মতে সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ লিভারপুল, রিয়াল নয় Logo তেলের দাম অপরিবর্তিত, সংকট মোকাবিলায় সরকারের কার্যকারিতা প্রশংসিত: মির্জা ফখরুল Logo ঈদের দিন যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধের প্রভাবে ডিউকস বল সংকট, সীমিত সরবরাহে শুরু হচ্ছে ইংল্যান্ডের মৌসুম

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

নতুন ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম শুরুর আগেই অপ্রত্যাশিত সমস্যায় পড়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। বহুল ব্যবহৃত ডিউকস বলের ঘাটতির কারণে স্বাভাবিক সরবরাহের মাত্র অর্ধেক নিয়ে শুরু করতে হচ্ছে এবারের প্রতিযোগিতা।

 

আগামী ৩ এপ্রিল ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম শুরু হওয়ার কথা, যেখানে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপসহ সব টুর্নামেন্টেই ডিউকস বল ব্যবহৃত হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় বলের প্রায় ৫০ শতাংশই হাতে রয়েছে সংশ্লিষ্টদের কাছে।

 

ডিউকস বল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ ক্রিকেট বলস লিমিটেডের মালিক দিলীপ জাজোদিয়া এই সংকটের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতকে দায়ী করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটেছে বলে তিনি জানান।

 

তার মতে, উপমহাদেশে প্রস্তুতকৃত অনেক বল থাকলেও পরিবহন সমস্যার কারণে সেগুলো যুক্তরাজ্যে আনা সম্ভব হচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্য হয়ে পণ্য পরিবহনের রুটে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় পুরো সরবরাহ চেইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

এছাড়া পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। আগে যেখানে প্রতি কেজি পণ্য পরিবহনে প্রায় ৫ ডলার ব্যয় হতো, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ ডলারে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে অনেক এয়ারলাইন্স এই রুটে পণ্য পরিবহনে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

 

ডিউকস বল তৈরির প্রক্রিয়াটিও বেশ জটিল। ব্রিটিশ গরুর চামড়া প্রথমে ইংল্যান্ডে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, পরে দক্ষিণ এশিয়ায় পাঠিয়ে দক্ষ কারিগরদের মাধ্যমে হাতে সেলাই করে বল তৈরি করা হয়। এরপর তা আবার যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে এনে চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত করা হয়।

 

এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার যেকোনো ধাপে বাধা সৃষ্টি হলে সরবরাহে প্রভাব পড়ে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই প্রভাবই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ফলে ইংল্যান্ডের আসন্ন ক্রিকেট মৌসুম পরিচালনায় কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:২৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
৫ বার পড়া হয়েছে

যুদ্ধের প্রভাবে ডিউকস বল সংকট, সীমিত সরবরাহে শুরু হচ্ছে ইংল্যান্ডের মৌসুম

আপডেট সময় ০৯:২৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

নতুন ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম শুরুর আগেই অপ্রত্যাশিত সমস্যায় পড়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। বহুল ব্যবহৃত ডিউকস বলের ঘাটতির কারণে স্বাভাবিক সরবরাহের মাত্র অর্ধেক নিয়ে শুরু করতে হচ্ছে এবারের প্রতিযোগিতা।

 

আগামী ৩ এপ্রিল ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম শুরু হওয়ার কথা, যেখানে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপসহ সব টুর্নামেন্টেই ডিউকস বল ব্যবহৃত হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় বলের প্রায় ৫০ শতাংশই হাতে রয়েছে সংশ্লিষ্টদের কাছে।

 

ডিউকস বল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ ক্রিকেট বলস লিমিটেডের মালিক দিলীপ জাজোদিয়া এই সংকটের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতকে দায়ী করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটেছে বলে তিনি জানান।

 

তার মতে, উপমহাদেশে প্রস্তুতকৃত অনেক বল থাকলেও পরিবহন সমস্যার কারণে সেগুলো যুক্তরাজ্যে আনা সম্ভব হচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্য হয়ে পণ্য পরিবহনের রুটে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় পুরো সরবরাহ চেইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

এছাড়া পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। আগে যেখানে প্রতি কেজি পণ্য পরিবহনে প্রায় ৫ ডলার ব্যয় হতো, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ ডলারে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে অনেক এয়ারলাইন্স এই রুটে পণ্য পরিবহনে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

 

ডিউকস বল তৈরির প্রক্রিয়াটিও বেশ জটিল। ব্রিটিশ গরুর চামড়া প্রথমে ইংল্যান্ডে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, পরে দক্ষিণ এশিয়ায় পাঠিয়ে দক্ষ কারিগরদের মাধ্যমে হাতে সেলাই করে বল তৈরি করা হয়। এরপর তা আবার যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে এনে চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত করা হয়।

 

এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার যেকোনো ধাপে বাধা সৃষ্টি হলে সরবরাহে প্রভাব পড়ে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই প্রভাবই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ফলে ইংল্যান্ডের আসন্ন ক্রিকেট মৌসুম পরিচালনায় কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।