ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo পটুয়াখালীতে বন্ধ ঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, রুমমেট পলাতক Logo বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যার সন্দেহভাজন আবুঘরবেহ তিন বছর আগে মাকেও মারধর করেছিলেন Logo সংসদে নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াত নেতা তাহের Logo সাকিবের পাশাপাশি মাশরাফি ও দুর্জয়কেও আলোচনায় আনতে বললেন তামিম Logo বিএনপির প্রতি আস্থা হারাচ্ছি: সংসদে নাহিদ ইসলামের মন্তব্য Logo নিপীড়নের আশঙ্কা জানালে ভিসা নয়—যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতি Logo ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি Logo ট্রাম্পকে ‘রাজার খোঁচা’ দিলেন ব্রিটিশ চার্লস, ফরাসি ভাষা নিয়ে ব্যঙ্গ Logo ডে-কেয়ারে হাত-পা বেঁধে রাখা ৫০ শিশু, নেশাদ্রব্য প্রয়োগের অভিযোগে তোলপাড় Logo সিলেটে কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে দশম শ্রেণির ছাত্রী নিখোঁজ

পটুয়াখালীতে বন্ধ ঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, রুমমেট পলাতক

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

পটুয়াখালী শহরের পৌর এলাকায় সফট বাইট নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শাখা ব্যবস্থাপক ফয়সাল বাদশার রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে। একই ঘটনায় তার রুমমেট ও সহকারী নাইমুল ইসলাম চয়ন পলাতক থাকায় বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

 

গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে শহরের সবুজবাগ ১০ নম্বর লেনের একটি ভাড়া বাসার বন্ধ কক্ষ থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

 

নিহত ফয়সাল বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার মো. জসিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং পাশাপাশি সফট বাইটের স্থানীয় শাখায় ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

 

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সিআইডি ও পিবিআইসহ বিভিন্ন সংস্থা আলামত সংগ্রহ করে। ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।

 

প্রাথমিকভাবে আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি সামনে এসেছে। জানা যায়, ফয়সালের বিরুদ্ধে প্রায় ৮ লাখ টাকা এবং তার সহকারী নাইমুল ইসলাম চয়নের বিরুদ্ধে প্রায় ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ছিল। হিসাব যাচাইয়ের সময় বিষয়টি ধরা পড়লে তারা অর্থ ফেরতের প্রতিশ্রুতি দেন এবং লিখিত অঙ্গীকারও করেন।

 

এরপর তারা হঠাৎ করে আত্মগোপনে চলে যান। ঠিক সেই সময়েই ফয়সালের মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় ঘটনাটি নতুন মোড় নেয়।

 

অন্যদিকে, সহকারী নাইমুল ইসলাম চয়ন এখনো পলাতক রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

 

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

 

পুলিশ ও তদন্ত সংস্থাগুলো ঘটনাটির রহস্য ও আর্থিক অনিয়মের যোগসূত্র খুঁজে বের করতে কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
৩ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীতে বন্ধ ঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, রুমমেট পলাতক

আপডেট সময় ১০:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পটুয়াখালী শহরের পৌর এলাকায় সফট বাইট নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শাখা ব্যবস্থাপক ফয়সাল বাদশার রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে। একই ঘটনায় তার রুমমেট ও সহকারী নাইমুল ইসলাম চয়ন পলাতক থাকায় বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

 

গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে শহরের সবুজবাগ ১০ নম্বর লেনের একটি ভাড়া বাসার বন্ধ কক্ষ থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

 

নিহত ফয়সাল বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার মো. জসিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং পাশাপাশি সফট বাইটের স্থানীয় শাখায় ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

 

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সিআইডি ও পিবিআইসহ বিভিন্ন সংস্থা আলামত সংগ্রহ করে। ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।

 

প্রাথমিকভাবে আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি সামনে এসেছে। জানা যায়, ফয়সালের বিরুদ্ধে প্রায় ৮ লাখ টাকা এবং তার সহকারী নাইমুল ইসলাম চয়নের বিরুদ্ধে প্রায় ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ছিল। হিসাব যাচাইয়ের সময় বিষয়টি ধরা পড়লে তারা অর্থ ফেরতের প্রতিশ্রুতি দেন এবং লিখিত অঙ্গীকারও করেন।

 

এরপর তারা হঠাৎ করে আত্মগোপনে চলে যান। ঠিক সেই সময়েই ফয়সালের মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় ঘটনাটি নতুন মোড় নেয়।

 

অন্যদিকে, সহকারী নাইমুল ইসলাম চয়ন এখনো পলাতক রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

 

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

 

পুলিশ ও তদন্ত সংস্থাগুলো ঘটনাটির রহস্য ও আর্থিক অনিয়মের যোগসূত্র খুঁজে বের করতে কাজ করছে।