ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo হরিণাকুন্ডুতে দুই খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু, সেচ ও পানি নিষ্কাশনে স্বস্তির আশা Logo মহেশপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৫ জন গ্রেফতার, ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত মোবাইল উদ্ধার Logo টানা ৫ দিনের ছুটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ১২–১৪ এপ্রিল সরকারি ছুটি Logo চাঁদাবাজদের তালিকা করে দেশজুড়ে অভিযান শিগগিরই: র‍্যাব Logo কুমিরের আক্রমণে নিহত কুকুরের ময়নাতদন্ত, তদন্ত চলমান Logo দল টিকিয়ে রাখতে শীর্ষ নেতাদের দেশে ফেরার আহ্বান তৃণমূলের Logo হামলায় আহত মোজতবা খামেনির মুখমণ্ডল বিকৃত, পা ক্ষতিগ্রস্ত Logo ড্রয়ে শিরোপা দৌড়ে আরও পিছিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ Logo সৎ থাকলে দেশ ছাড়ার প্রয়োজন নেই: অনন্ত জলিল Logo সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ পদে শতাধিক আবেদন, আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

রতন টাটার ৩৮০০ কোটি রুপির সম্পত্তির কে কী পেল?

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর প্রয়াত হন ভারতের কিংবদন্তি শিল্পপতি রতন টাটা। সেই থেকেই আলোচনায় থেকেছে তার উইল। রতন টাটার দানশীলতার কথা সবারই জানা। তার উইলেও যেন মিললো তারই প্রমাণ।

 

টাটার ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখের উইলে তার সম্পদ বণ্টনের রূপরেখা দেয়া হয়েছে। সেখানে রতন টাটা তার প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি রুপির সম্পত্তির বড় অংশই দান করেছেন ‘রতন টাটা এনডাওমেন্ট ফাউন্ডেশন’ এবং ‘রতন টাটা এনডাওমেন্ট ট্রাস্ট’-এর মাধ্যমে।

 

এই দুটিই দাতব্য সংস্থা। অর্থাৎ দানকৃত এই বিপুল অর্থ এবার এই দুই সংস্থা ব্যবহার করবে সমাজসেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং মানবকল্যাণমূলক প্রকল্পে। উইলেও উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো অপ্রাপ্ত শেয়ার বা সম্পত্তিও এই দাতব্য সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।
 
বরাবরই দানশীল হিসেবে পরিচিত রতন টাটা। বিভিন্ন দাতব্য কাজের জন্য তিনি তৈরি করেছিলেন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রতন টাটা এনডাওমেন্ট ফাউন্ডেশন। একই উদ্দেশ্যে তৈরি রতন টাটা এনডাওমেন্ট ট্রাস্টও। এবার জানা গেল বিপুল দানকৃত অর্থ ওই দুই সংস্থার মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। 
 
রতন টাটা তার সম্পত্তির একটি বড় অংশ দান করলেও, পরিবার-পরিজন, ঘনিষ্ঠ বন্ধু, কর্মী এবং প্রিয় পোষ্য- কাউকেই বঞ্চিত করেননি। 
 
গত ৯ অক্টোবর ব্রিজ ক্যান্ডি হাসপাতালে জীবনাবসান হয় বর্ষীয়ান এই শিল্পপতির। কেবল একজন ব্যবসায়ী নন, ছিলেন নতুন পথের দিশারী। টাটা গোষ্ঠীকে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি জায়গায় ছড়িয়ে দিয়েছিলেন রতন টাটা। 
আর কেবল যদি ভারতের কথাই হয়, লবণ থেকে মোটরগাড়ি – একজন ভারতীয় নাগরিকের প্রতিদিনের জীবনে কাছের ‘বন্ধু’ টাটা। টাটা গোষ্ঠীর পণ্যের প্রতি এই আস্থা বা বিশ্বাস জাগানো রতন টাটার জীবনের অন্যতম সাফল্য। 
এরই ধারাবাহিকতায় তৈরি হয়েছিল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য। পাশাপাশি বহু জনহিতৈষী কাজেও নিজেকে আজীবন বেধে রেখেছিলেন তিনি।
সূত্র: এনডিটিভি, ইকোনমিক টাইমস, সংবাদ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:২১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫
১৫২ বার পড়া হয়েছে

রতন টাটার ৩৮০০ কোটি রুপির সম্পত্তির কে কী পেল?

আপডেট সময় ০৬:২১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫

২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর প্রয়াত হন ভারতের কিংবদন্তি শিল্পপতি রতন টাটা। সেই থেকেই আলোচনায় থেকেছে তার উইল। রতন টাটার দানশীলতার কথা সবারই জানা। তার উইলেও যেন মিললো তারই প্রমাণ।

 

টাটার ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখের উইলে তার সম্পদ বণ্টনের রূপরেখা দেয়া হয়েছে। সেখানে রতন টাটা তার প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি রুপির সম্পত্তির বড় অংশই দান করেছেন ‘রতন টাটা এনডাওমেন্ট ফাউন্ডেশন’ এবং ‘রতন টাটা এনডাওমেন্ট ট্রাস্ট’-এর মাধ্যমে।

 

এই দুটিই দাতব্য সংস্থা। অর্থাৎ দানকৃত এই বিপুল অর্থ এবার এই দুই সংস্থা ব্যবহার করবে সমাজসেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং মানবকল্যাণমূলক প্রকল্পে। উইলেও উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো অপ্রাপ্ত শেয়ার বা সম্পত্তিও এই দাতব্য সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।
 
বরাবরই দানশীল হিসেবে পরিচিত রতন টাটা। বিভিন্ন দাতব্য কাজের জন্য তিনি তৈরি করেছিলেন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রতন টাটা এনডাওমেন্ট ফাউন্ডেশন। একই উদ্দেশ্যে তৈরি রতন টাটা এনডাওমেন্ট ট্রাস্টও। এবার জানা গেল বিপুল দানকৃত অর্থ ওই দুই সংস্থার মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। 
 
রতন টাটা তার সম্পত্তির একটি বড় অংশ দান করলেও, পরিবার-পরিজন, ঘনিষ্ঠ বন্ধু, কর্মী এবং প্রিয় পোষ্য- কাউকেই বঞ্চিত করেননি। 
 
গত ৯ অক্টোবর ব্রিজ ক্যান্ডি হাসপাতালে জীবনাবসান হয় বর্ষীয়ান এই শিল্পপতির। কেবল একজন ব্যবসায়ী নন, ছিলেন নতুন পথের দিশারী। টাটা গোষ্ঠীকে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি জায়গায় ছড়িয়ে দিয়েছিলেন রতন টাটা। 
আর কেবল যদি ভারতের কথাই হয়, লবণ থেকে মোটরগাড়ি – একজন ভারতীয় নাগরিকের প্রতিদিনের জীবনে কাছের ‘বন্ধু’ টাটা। টাটা গোষ্ঠীর পণ্যের প্রতি এই আস্থা বা বিশ্বাস জাগানো রতন টাটার জীবনের অন্যতম সাফল্য। 
এরই ধারাবাহিকতায় তৈরি হয়েছিল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য। পাশাপাশি বহু জনহিতৈষী কাজেও নিজেকে আজীবন বেধে রেখেছিলেন তিনি।
সূত্র: এনডিটিভি, ইকোনমিক টাইমস, সংবাদ প্রতিদিন