ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শাকিরা ও বার্না বয়ের থিম সং ‘দাই দাই’ Logo পটুয়াখালীতে বন্ধ ঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, রুমমেট পলাতক Logo বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যার সন্দেহভাজন আবুঘরবেহ তিন বছর আগে মাকেও মারধর করেছিলেন Logo সংসদে নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াত নেতা তাহের Logo সাকিবের পাশাপাশি মাশরাফি ও দুর্জয়কেও আলোচনায় আনতে বললেন তামিম Logo বিএনপির প্রতি আস্থা হারাচ্ছি: সংসদে নাহিদ ইসলামের মন্তব্য Logo নিপীড়নের আশঙ্কা জানালে ভিসা নয়—যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতি Logo ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি Logo ট্রাম্পকে ‘রাজার খোঁচা’ দিলেন ব্রিটিশ চার্লস, ফরাসি ভাষা নিয়ে ব্যঙ্গ Logo ডে-কেয়ারে হাত-পা বেঁধে রাখা ৫০ শিশু, নেশাদ্রব্য প্রয়োগের অভিযোগে তোলপাড়

অবস্থার অবনতি, আইসিইউতে সাবিনা ইয়াসমিন

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

অবস্থার অবনতি, আইসিইউতে সাবিনা ইয়াসমিন।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘আমাদের সাবিনা ইয়াসমিন: আমি আছি থাকব’ শিরোনামে অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন উপমহদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন।

পরে তাৎক্ষণিক তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়। সবশেষে শনিবার সকালে ফের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তাকে ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।


পপুলার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানকার চিকিৎসকরা  ইনসেটিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) তার পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করেছেন।

 
এর আগে সংগীতশিল্পী জাহাঙ্গীর সাইদ জানান, ‘সাবিনা ইয়াসমিনের ভার্টিগো সমস্যা আছে। মঞ্চে গান গাইতে গাইতে ভার্টিগোর সমস্যায় পড়েন। মাইক্রোফোন স্ট্যান্ড হাত ধরে রাখতে পারছিলেন না। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়।’
২০২৩ সালের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, মেলবোর্ন ও ব্রিসবেনে একাধিক স্টেজ শো করেন সাবিনা ইয়াসমিন। এরপর আর তাকে মঞ্চের গান পরিবেশনায় পাওয়া যায়নি। এ সময় চিকিৎসাতেও ছিলেন সাবিনা।
  
১৯৫৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জন্ম হয় এই কিংবদন্তির। সাবিনা ইয়াসমিন চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে দেশের অন্যতম সেরা সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।
 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:১১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
১৭৩ বার পড়া হয়েছে

অবস্থার অবনতি, আইসিইউতে সাবিনা ইয়াসমিন

আপডেট সময় ০৯:১১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

অবস্থার অবনতি, আইসিইউতে সাবিনা ইয়াসমিন।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘আমাদের সাবিনা ইয়াসমিন: আমি আছি থাকব’ শিরোনামে অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন উপমহদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন।

পরে তাৎক্ষণিক তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়। সবশেষে শনিবার সকালে ফের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তাকে ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।


পপুলার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানকার চিকিৎসকরা  ইনসেটিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) তার পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করেছেন।

 
এর আগে সংগীতশিল্পী জাহাঙ্গীর সাইদ জানান, ‘সাবিনা ইয়াসমিনের ভার্টিগো সমস্যা আছে। মঞ্চে গান গাইতে গাইতে ভার্টিগোর সমস্যায় পড়েন। মাইক্রোফোন স্ট্যান্ড হাত ধরে রাখতে পারছিলেন না। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়।’
২০২৩ সালের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, মেলবোর্ন ও ব্রিসবেনে একাধিক স্টেজ শো করেন সাবিনা ইয়াসমিন। এরপর আর তাকে মঞ্চের গান পরিবেশনায় পাওয়া যায়নি। এ সময় চিকিৎসাতেও ছিলেন সাবিনা।
  
১৯৫৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জন্ম হয় এই কিংবদন্তির। সাবিনা ইয়াসমিন চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে দেশের অন্যতম সেরা সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।