ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo জাটকা সংরক্ষণে ৭–১৩ এপ্রিল বিশেষ সপ্তাহ, ১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিনের মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা Logo ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাইকমিশনারের বৈঠক Logo হামের উপসর্গে একদিনে ১০ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৫৪ Logo জ্বালানিসংকটের প্রভাবে জাহাজ ভাড়া বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ Logo কিশোরগঞ্জে তুলার গুদামে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo সংবিধান নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্য ছিল রূপক—সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাইব্যাক শর্তে নিকো পাজকে ফেরাতে চায় রিয়াল মাদ্রিদ Logo সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের সার্ভার রুমে আগুন, ইমিগ্রেশন সেবা বন্ধ Logo তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার ব্যাখ্যা দিলেন আসিফ মাহমুদ Logo ভারতীয় সীমান্তে বাংলাদেশি যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে থাকার অভিযোগ

যে সময় নামাজ পড়া হারাম

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

নামাজ ইসলামের পাঁচটি ভিত্তির একটি। প্রত্যেক মুসলমানকে প্রতিদিন পাঁচবার নামাজ পড়া বাধ্যতামূলক। নামাজ পড়ার নির্ধারিত সময় আছে। এছাড়া নফল ও অন্যান্য নামাজ পড়ার নির্ধারিত সময় না থাকলেও কিছু সময় আছে যে সময় কোনো নামাজই পড়া যায় না।

 

দিনরাতে তিনটি সময়ে নামাজ পড়া নিষিদ্ধ, মহানবী (স.) বলেন, আসরের নামাজের পর সূর্য না ডোবা পর্যন্ত আর কোনও নামাজ নেই। ফজরের নামাজের পর সূর্য না ওঠা পর্যন্ত আর কোন নামাজ নেই। (বুখারি ১০৪১)

 
 
হজরত উকবা বিন আমের (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রসুল (স.) আমাদেরকে তিন সময়ে নামাজ পড়তে ও মুর্দা দাফন করতে নিষেধ করতেন। এক. ঠিক সূর্য উদয় হওয়ার পর থেকে একটু উঁচু না হওয়া পর্যন্ত, দুই. সূর্য ঠিক মাথার উপর আসার পর থেকে একটু ঢলে না যাওয়া পর্যন্ত। তিন. সূর্য ডোবার কাছাকাছি হওয়া থেকে ডুবে না যাওয়া পর্যন্ত। (মুসলিম আবু দাউদ, নাসাঈ) যেহেতু এই সময়গুলিতে সাধারণত কাফেররা সূর্যের পূজা করে থাকে তাই নামাজ পড়া নিষিদ্ধ। (মুসলিম, মিশকাত ১০৪২)
 
হজরত সাহাবি উকবা বিন আমের জুহানি (রা.) বলেন, ‘তিনটি সময়ে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে নামাজ পড়তে ও মৃতের দাফন করতে নিষেধ করতেন। সূর্য উদয়ের সময়; যতক্ষণ না তা পুরোপুরি উঁচু হয়ে যায়। সূর্য মধ্যাকাশে অবস্থানের সময় থেকে নিয়ে তা পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়া পর্যন্ত। যখন সূর্য অস্ত যায়।’ (সুবুলুস সালাম ১/১১১, মুসলিম ১/৫৬৮)
 
সূর্য উঠার শুরু থেকে হলুদ আলো পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সময়টুকুতে সব ধরনের নামাজ পড়া নিষেধ। ফকিহরা গবেষণা করে দেখেছেন সূর্য উঠার পর হলুদ আলো দূর হতে ২০ মিনিট সময় লাগে। অর্থাৎ আবহাওয়া অফিস যদি বলে, সকাল ছয়টায় সূর্য উঠবে, তার মানে ৬টা ২০ পর্যন্ত সব ধরনের নামাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
 
সূর্য যখন ঠিক মাথার ওপরে থাকে তখনও সব ধরনের নামাজ এবং সেজদা করা নিষেধ। আরবি ভাষায় এ সময়কে ‘জাওয়াল’ বলে। যখন সূর্য একটু হেলে পড়বে তখন জোহরের ওয়াক্ত শুরু হয়। এ সময় সব ধরনের নামাজ এবং সেজদা করা জায়েজ। সূর্য মাথার ওপর থেকে হেলে পড়তে বেশি সময় লাগে না। ফকিহরা সতর্কতাবশত সূর্য মাথার ওপরে উঠার পাঁচ মিনিট আগে এবং পাঁচ মিনিট পর পর্যন্ত নামাজ থেকে বিরত থাকতে বলেছেন।
 
সূর্য যখন হলুদ বর্ণ ধারণ করে ডুবতে শুরু করে তারপর সূর্যাস্ত পর্যন্ত সব ধরনের নামাজ পড়া নিষেধ। মাওলানা ইউসুফ লুধিয়ানাভী রহ. বলেন, এ তিন সময়ে জানাজার নামাজ এবং মৃতকে দাফন করাও নিষেধ। তবে মৃতকে তাড়াতাড়ি দাফন করার প্রয়োজন হলে জানাজা পড়িয়ে দাফন করার অনুমতি আছে।
 
 
এছাড়াও কেউ যদি কারণবশত আসর নামাজ পড়তে ভুলে যায়, তাহলে সূর্য ডুবতে শুরু করার আগে আগে আসরের নামাজের নিয়ত বাঁধলে আর এর মধ্যে সূর্য ডোবা শুরু হয়ে গেলে নামাজ আদায় হয়ে যাবে। সূর্য ডোবা শুরু হয়ে গেলে আর আসর নামাজ পড়ার সুযোগ থাকে না। তখন আসরের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যায়। 

নামাজ
নামাজের ভুল
নামাজের সময়সূচি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:১৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪
৪৪৭ বার পড়া হয়েছে

যে সময় নামাজ পড়া হারাম

আপডেট সময় ০৯:১৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪

নামাজ ইসলামের পাঁচটি ভিত্তির একটি। প্রত্যেক মুসলমানকে প্রতিদিন পাঁচবার নামাজ পড়া বাধ্যতামূলক। নামাজ পড়ার নির্ধারিত সময় আছে। এছাড়া নফল ও অন্যান্য নামাজ পড়ার নির্ধারিত সময় না থাকলেও কিছু সময় আছে যে সময় কোনো নামাজই পড়া যায় না।

 

দিনরাতে তিনটি সময়ে নামাজ পড়া নিষিদ্ধ, মহানবী (স.) বলেন, আসরের নামাজের পর সূর্য না ডোবা পর্যন্ত আর কোনও নামাজ নেই। ফজরের নামাজের পর সূর্য না ওঠা পর্যন্ত আর কোন নামাজ নেই। (বুখারি ১০৪১)

 
 
হজরত উকবা বিন আমের (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রসুল (স.) আমাদেরকে তিন সময়ে নামাজ পড়তে ও মুর্দা দাফন করতে নিষেধ করতেন। এক. ঠিক সূর্য উদয় হওয়ার পর থেকে একটু উঁচু না হওয়া পর্যন্ত, দুই. সূর্য ঠিক মাথার উপর আসার পর থেকে একটু ঢলে না যাওয়া পর্যন্ত। তিন. সূর্য ডোবার কাছাকাছি হওয়া থেকে ডুবে না যাওয়া পর্যন্ত। (মুসলিম আবু দাউদ, নাসাঈ) যেহেতু এই সময়গুলিতে সাধারণত কাফেররা সূর্যের পূজা করে থাকে তাই নামাজ পড়া নিষিদ্ধ। (মুসলিম, মিশকাত ১০৪২)
 
হজরত সাহাবি উকবা বিন আমের জুহানি (রা.) বলেন, ‘তিনটি সময়ে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে নামাজ পড়তে ও মৃতের দাফন করতে নিষেধ করতেন। সূর্য উদয়ের সময়; যতক্ষণ না তা পুরোপুরি উঁচু হয়ে যায়। সূর্য মধ্যাকাশে অবস্থানের সময় থেকে নিয়ে তা পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়া পর্যন্ত। যখন সূর্য অস্ত যায়।’ (সুবুলুস সালাম ১/১১১, মুসলিম ১/৫৬৮)
 
সূর্য উঠার শুরু থেকে হলুদ আলো পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সময়টুকুতে সব ধরনের নামাজ পড়া নিষেধ। ফকিহরা গবেষণা করে দেখেছেন সূর্য উঠার পর হলুদ আলো দূর হতে ২০ মিনিট সময় লাগে। অর্থাৎ আবহাওয়া অফিস যদি বলে, সকাল ছয়টায় সূর্য উঠবে, তার মানে ৬টা ২০ পর্যন্ত সব ধরনের নামাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
 
সূর্য যখন ঠিক মাথার ওপরে থাকে তখনও সব ধরনের নামাজ এবং সেজদা করা নিষেধ। আরবি ভাষায় এ সময়কে ‘জাওয়াল’ বলে। যখন সূর্য একটু হেলে পড়বে তখন জোহরের ওয়াক্ত শুরু হয়। এ সময় সব ধরনের নামাজ এবং সেজদা করা জায়েজ। সূর্য মাথার ওপর থেকে হেলে পড়তে বেশি সময় লাগে না। ফকিহরা সতর্কতাবশত সূর্য মাথার ওপরে উঠার পাঁচ মিনিট আগে এবং পাঁচ মিনিট পর পর্যন্ত নামাজ থেকে বিরত থাকতে বলেছেন।
 
সূর্য যখন হলুদ বর্ণ ধারণ করে ডুবতে শুরু করে তারপর সূর্যাস্ত পর্যন্ত সব ধরনের নামাজ পড়া নিষেধ। মাওলানা ইউসুফ লুধিয়ানাভী রহ. বলেন, এ তিন সময়ে জানাজার নামাজ এবং মৃতকে দাফন করাও নিষেধ। তবে মৃতকে তাড়াতাড়ি দাফন করার প্রয়োজন হলে জানাজা পড়িয়ে দাফন করার অনুমতি আছে।
 
 
এছাড়াও কেউ যদি কারণবশত আসর নামাজ পড়তে ভুলে যায়, তাহলে সূর্য ডুবতে শুরু করার আগে আগে আসরের নামাজের নিয়ত বাঁধলে আর এর মধ্যে সূর্য ডোবা শুরু হয়ে গেলে নামাজ আদায় হয়ে যাবে। সূর্য ডোবা শুরু হয়ে গেলে আর আসর নামাজ পড়ার সুযোগ থাকে না। তখন আসরের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যায়। 

নামাজ
নামাজের ভুল
নামাজের সময়সূচি