ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যার সন্দেহভাজন আবুঘরবেহ তিন বছর আগে মাকেও মারধর করেছিলেন Logo সংসদে নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াত নেতা তাহের Logo সাকিবের পাশাপাশি মাশরাফি ও দুর্জয়কেও আলোচনায় আনতে বললেন তামিম Logo বিএনপির প্রতি আস্থা হারাচ্ছি: সংসদে নাহিদ ইসলামের মন্তব্য Logo নিপীড়নের আশঙ্কা জানালে ভিসা নয়—যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতি Logo ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি Logo ট্রাম্পকে ‘রাজার খোঁচা’ দিলেন ব্রিটিশ চার্লস, ফরাসি ভাষা নিয়ে ব্যঙ্গ Logo ডে-কেয়ারে হাত-পা বেঁধে রাখা ৫০ শিশু, নেশাদ্রব্য প্রয়োগের অভিযোগে তোলপাড় Logo সিলেটে কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে দশম শ্রেণির ছাত্রী নিখোঁজ Logo রূপপুর প্রকল্পে রাশিয়ার ৯০% ঋণ, ২৮ বছরে শোধ করবে বাংলাদেশ

নিপীড়নের আশঙ্কা জানালে ভিসা নয়—যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতি

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

সম্ভাব্য আশ্রয়প্রার্থীদের প্রবেশ সীমিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেউ যদি নিজের দেশে নির্যাতন বা নিপীড়নের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেন, তাহলে তাকে ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

 

সম্প্রতি একটি কূটনৈতিক বার্তার মাধ্যমে এই নির্দেশনা বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোকে জানানো হয়েছে। এটি দেশটির অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের অংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

নতুন নিয়মটি মূলত নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে, যার মধ্যে পর্যটক, শিক্ষার্থী ও অস্থায়ী কর্মীদের ভিসা অন্তর্ভুক্ত। সিএনএন এই বার্তাটি পর্যালোচনা করেছে এবং এ বিষয়ে এর আগে ওয়াশিংটন পোস্টও প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

 

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীরা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের ভুল তথ্য দিচ্ছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের। বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর কেউ যেন রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করার উদ্দেশ্য না রাখেন।

 

এ জন্য আবেদনকারীদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করা হবে—তারা কি নিজ দেশে কোনো নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং সেখানে ফিরে গেলে এমন ঝুঁকি রয়েছে কি না। এই দুই প্রশ্নের উত্তরে ‘না’ বললেই কেবল ভিসা প্রক্রিয়া এগোবে।

 

অভিবাসন বিশ্লেষক ক্যামিল ম্যাকলার জানিয়েছেন, এই নীতি আবেদনকারীদের জন্য জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, কারণ তাদের এমন সিদ্ধান্ত নিতে হবে যা তাদের নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

 

এর আগে জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ৭৫টি দেশের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করে এবং শিক্ষার্থী ভিসার ক্ষেত্রেও কঠোর যাচাই-বাছাই চালু করে। নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় কিছু আবেদনও স্থগিত রাখা হয়েছে।

 

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে হলে আবেদনকারীকে দেশটিতে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে হয়। যারা নিজ দেশে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা জাতিগত নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসেন, তারাই এ ধরনের আশ্রয়ের জন্য আবেদন করতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
৬ বার পড়া হয়েছে

নিপীড়নের আশঙ্কা জানালে ভিসা নয়—যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতি

আপডেট সময় ০৬:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

সম্ভাব্য আশ্রয়প্রার্থীদের প্রবেশ সীমিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেউ যদি নিজের দেশে নির্যাতন বা নিপীড়নের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেন, তাহলে তাকে ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

 

সম্প্রতি একটি কূটনৈতিক বার্তার মাধ্যমে এই নির্দেশনা বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোকে জানানো হয়েছে। এটি দেশটির অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের অংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

নতুন নিয়মটি মূলত নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে, যার মধ্যে পর্যটক, শিক্ষার্থী ও অস্থায়ী কর্মীদের ভিসা অন্তর্ভুক্ত। সিএনএন এই বার্তাটি পর্যালোচনা করেছে এবং এ বিষয়ে এর আগে ওয়াশিংটন পোস্টও প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

 

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীরা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের ভুল তথ্য দিচ্ছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের। বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর কেউ যেন রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করার উদ্দেশ্য না রাখেন।

 

এ জন্য আবেদনকারীদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করা হবে—তারা কি নিজ দেশে কোনো নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং সেখানে ফিরে গেলে এমন ঝুঁকি রয়েছে কি না। এই দুই প্রশ্নের উত্তরে ‘না’ বললেই কেবল ভিসা প্রক্রিয়া এগোবে।

 

অভিবাসন বিশ্লেষক ক্যামিল ম্যাকলার জানিয়েছেন, এই নীতি আবেদনকারীদের জন্য জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, কারণ তাদের এমন সিদ্ধান্ত নিতে হবে যা তাদের নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

 

এর আগে জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ৭৫টি দেশের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করে এবং শিক্ষার্থী ভিসার ক্ষেত্রেও কঠোর যাচাই-বাছাই চালু করে। নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় কিছু আবেদনও স্থগিত রাখা হয়েছে।

 

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে হলে আবেদনকারীকে দেশটিতে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে হয়। যারা নিজ দেশে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা জাতিগত নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসেন, তারাই এ ধরনের আশ্রয়ের জন্য আবেদন করতে পারেন।