ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo সকালে কোয়েলের ডিম খেলে মিলবে যে অসাধারণ উপকার Logo শীতে পানি কেন বেশি জরুরি—চমকে যাওয়ার মতো কারণ! Logo ঠান্ডায় রোগপ্রতিরোধ দুর্বল? প্রতিদিন খান এগুলো Logo বিশ্বে সবচেয়ে দুর্লভ রক্ত কোনটি? জানুন ‘গোল্ডেন ব্লাড’-এর রহস্য Logo বিশ্বজুড়ে নিষিদ্ধ আকাশসীমা: কেন উড়তে পারে না বিমান Logo খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সিলেটে অসহায়দের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ Logo দুদকের তদন্তের মুখে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান; শেখ হাসিনাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ Logo  তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo  সিলেটে নিখোঁজ ছাতকের সৌরভ, খুঁজে পেতে সহযোগিতার আহ্বান Logo সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনে আগুন, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

অবস্থার অবনতি, আইসিইউতে সাবিনা ইয়াসমিন

নিজস্ব সংবাদ :

ছবি সংগৃহীত

অবস্থার অবনতি, আইসিইউতে সাবিনা ইয়াসমিন।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘আমাদের সাবিনা ইয়াসমিন: আমি আছি থাকব’ শিরোনামে অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন উপমহদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন।

পরে তাৎক্ষণিক তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়। সবশেষে শনিবার সকালে ফের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তাকে ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।


পপুলার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানকার চিকিৎসকরা  ইনসেটিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) তার পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করেছেন।

 
এর আগে সংগীতশিল্পী জাহাঙ্গীর সাইদ জানান, ‘সাবিনা ইয়াসমিনের ভার্টিগো সমস্যা আছে। মঞ্চে গান গাইতে গাইতে ভার্টিগোর সমস্যায় পড়েন। মাইক্রোফোন স্ট্যান্ড হাত ধরে রাখতে পারছিলেন না। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়।’
২০২৩ সালের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, মেলবোর্ন ও ব্রিসবেনে একাধিক স্টেজ শো করেন সাবিনা ইয়াসমিন। এরপর আর তাকে মঞ্চের গান পরিবেশনায় পাওয়া যায়নি। এ সময় চিকিৎসাতেও ছিলেন সাবিনা।
  
১৯৫৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জন্ম হয় এই কিংবদন্তির। সাবিনা ইয়াসমিন চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে দেশের অন্যতম সেরা সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।
 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:১১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
১১৮ বার পড়া হয়েছে

অবস্থার অবনতি, আইসিইউতে সাবিনা ইয়াসমিন

আপডেট সময় ০৯:১১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

অবস্থার অবনতি, আইসিইউতে সাবিনা ইয়াসমিন।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘আমাদের সাবিনা ইয়াসমিন: আমি আছি থাকব’ শিরোনামে অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন উপমহদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন।

পরে তাৎক্ষণিক তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়। সবশেষে শনিবার সকালে ফের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তাকে ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।


পপুলার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানকার চিকিৎসকরা  ইনসেটিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) তার পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করেছেন।

 
এর আগে সংগীতশিল্পী জাহাঙ্গীর সাইদ জানান, ‘সাবিনা ইয়াসমিনের ভার্টিগো সমস্যা আছে। মঞ্চে গান গাইতে গাইতে ভার্টিগোর সমস্যায় পড়েন। মাইক্রোফোন স্ট্যান্ড হাত ধরে রাখতে পারছিলেন না। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়।’
২০২৩ সালের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, মেলবোর্ন ও ব্রিসবেনে একাধিক স্টেজ শো করেন সাবিনা ইয়াসমিন। এরপর আর তাকে মঞ্চের গান পরিবেশনায় পাওয়া যায়নি। এ সময় চিকিৎসাতেও ছিলেন সাবিনা।
  
১৯৫৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জন্ম হয় এই কিংবদন্তির। সাবিনা ইয়াসমিন চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে দেশের অন্যতম সেরা সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।