ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ অভিযোগ তাহেরের, রিজওয়ানা হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি Logo ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছুটি বাড়ল, টানা সাতদিন বন্ধ থাকবে অফিস Logo ভোরে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ Logo আদাবর-শ্যামলী এলাকায় পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ আটক ৬ Logo ১০ জনের নিউক্যাসলের কাছে হেরে ক্যারিকের অপরাজিত ধারার অবসান ইউনাইটেডের Logo মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় দুবাইয়ে আটকে পড়া ১৮৯ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন বিশেষ ফ্লাইটে Logo মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাব: ৬ দিনে ঢাকা থেকে ২১০টি ফ্লাইট বাতিল Logo সংঘাতজনিত পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের জন্য ভিসার মেয়াদ বাড়াল কুয়েত Logo রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের প্রস্তুতি, সেনাবাহিনীর তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার চাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত Logo যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আকাশপথ সংকট, পাঁচ দিনে ১৭৬ ফ্লাইট বাতিল

ভারতে বাংলাদেশি সন্দেহে গণপিটুনিতে প্রাণ গেল এক শ্রমিকের

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

ভারতের কেরালা রাজ্যের পালাক্কাদ জেলায় এক নির্মাণশ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তাকে বাংলাদেশের নাগরিক ভেবে সন্দেহ করা হয়েছিল। নিহত ব্যক্তি ছত্তিশগড়ের বাসিন্দা এক দলিত শ্রমিক বলে জানা গেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার শনিবার (২০ ডিসেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ঘটনার পর এলাকায় কর্মরত অন্যান্য শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

নিহতের নাম রামনারায়ণ বাঘেল (৩১)। তিনি ছত্তিশগড়ের শক্তি জেলার কারহি গ্রামের বাসিন্দা। জীবিকার সন্ধানে গত ১৩ ডিসেম্বর তিনি কেরালার পালাক্কাদে যান এবং সেখানে একটি নির্মাণকাজে দৈনিক মজুরিতে কাজ শুরু করেন।

নিহতের আত্মীয় কিশান বাঘেলের ভাষ্য অনুযায়ী, একই গ্রামের দূরসম্পর্কের আত্মীয় শশীকান্ত বাঘেলের অনুরোধেই রামনারায়ণ কেরালায় যান। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে কিশান বাঘেল জানান, রামনারায়ণ ছিলেন অত্যন্ত দরিদ্র। তার স্ত্রী ললিতা এবং আট ও নয় বছর বয়সী দুই সন্তান রয়েছে।

অন্য সূত্র জানায়, ওই এলাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি চুরির ঘটনার পর রামনারায়ণকে চোর সন্দেহে আটক করা হয়। এরপর একদল লোক লাঠি দিয়ে তাকে মারধর করে, যার ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে নিহতের স্ত্রী শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) পালাক্কাদের উদ্দেশ্যে রওনা হন। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তিনি সেখানে পৌঁছাননি বলে জানিয়েছেন কিশান বাঘেল।

এ ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে কেরালা পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পেছনের উদ্দেশ্য জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:১৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
৪৫ বার পড়া হয়েছে

ভারতে বাংলাদেশি সন্দেহে গণপিটুনিতে প্রাণ গেল এক শ্রমিকের

আপডেট সময় ১১:১৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

ভারতের কেরালা রাজ্যের পালাক্কাদ জেলায় এক নির্মাণশ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তাকে বাংলাদেশের নাগরিক ভেবে সন্দেহ করা হয়েছিল। নিহত ব্যক্তি ছত্তিশগড়ের বাসিন্দা এক দলিত শ্রমিক বলে জানা গেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার শনিবার (২০ ডিসেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ঘটনার পর এলাকায় কর্মরত অন্যান্য শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

নিহতের নাম রামনারায়ণ বাঘেল (৩১)। তিনি ছত্তিশগড়ের শক্তি জেলার কারহি গ্রামের বাসিন্দা। জীবিকার সন্ধানে গত ১৩ ডিসেম্বর তিনি কেরালার পালাক্কাদে যান এবং সেখানে একটি নির্মাণকাজে দৈনিক মজুরিতে কাজ শুরু করেন।

নিহতের আত্মীয় কিশান বাঘেলের ভাষ্য অনুযায়ী, একই গ্রামের দূরসম্পর্কের আত্মীয় শশীকান্ত বাঘেলের অনুরোধেই রামনারায়ণ কেরালায় যান। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে কিশান বাঘেল জানান, রামনারায়ণ ছিলেন অত্যন্ত দরিদ্র। তার স্ত্রী ললিতা এবং আট ও নয় বছর বয়সী দুই সন্তান রয়েছে।

অন্য সূত্র জানায়, ওই এলাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি চুরির ঘটনার পর রামনারায়ণকে চোর সন্দেহে আটক করা হয়। এরপর একদল লোক লাঠি দিয়ে তাকে মারধর করে, যার ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে নিহতের স্ত্রী শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) পালাক্কাদের উদ্দেশ্যে রওনা হন। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তিনি সেখানে পৌঁছাননি বলে জানিয়েছেন কিশান বাঘেল।

এ ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে কেরালা পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পেছনের উদ্দেশ্য জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।